অর্থমন্ত্রীর বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারকে বয়কটের ঘোষণা দেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। ফলে পুরো সময়ে তিনি আর কোনো কথা বলেননি।
শুক্রবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অর্থমন্ত্রণালয় আয়োজিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনা ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্ব
সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রীর লিখিত বক্তব্য পড়া শেষ হলে শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব।
প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতেই সাংবাদিকদের পক্ষে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মীরধা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর দীর্ঘদিন বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে রেখেছেন।
আমরা এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানালেও গভর্নর মানেননি।
এজন্য আজ গভর্নরের বক্তব্য আমরা বয়কট করবো।
এসময় গভর্নর অর্থমন্ত্রীকে ইশারা দিয়ে বলেন, তিনি বক্তব্য রাখবেন না।
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
উল্লেখ্য, সাধারণত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের।
ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্ট, মূল্যস্ফীতিসহ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়ে থাকেন তিনি।
তবে এবার সাংবাদিকরা অনুষ্ঠান শুরুর আগেই গভর্নরকে বয়কটের ঘোষণা দেন।
এরপর পুরো সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেননি গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।
ব্যাংক ও আর্থিক খাতের নানা বিষয় নিয়ে প্রশ্নের জবাব দেন অর্থমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান, অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারসহ অন্যরা।
মঞ্চে অর্থমন্ত্রীর বাঁ পাশে বসেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
মঞ্চে অর্থমন্ত্রীর ডান পাশে বসেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুস শহীদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মে. মাহবুব হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।




