Whatsup Today

Multiverse Of Blogs 2025

আজকের অর্থনীতির খবর

এবার ঘাস চাষ শিখতে বিদেশ যেতে চান প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ৩২ কর্মকর্তা

বিচিত্র রকম প্রকল্পে ঠাসা দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি- এডিপি। মাছ চাষ, খিচুড়ি রান্নার পর এবার ঘাস চাষ শিখতে বিদেশ যাওয়ার খায়েশের পর এরকমই একটি, উন্নতমানের কাঁচা ঘাস (নেপিয়ার) চাষের মাধ্যমে গরুর পুষ্টি উন্নয়ন ও বাড়তি দুধ আহরণ। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো ধরনের যাচাইবাছাই ছাড়াই ১১৮ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটি নেয়া হয়।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

তিনবছর আগে দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে নেয়া এই প্রকল্প শুরু হয়, শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। এই সময়ের মধ্যেই সারাদেশে স্থাপন করা হবে প্রায় ৮ হাজার ৯৭০টি প্রদর্শনী প্লট।

অথচ এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ অর্থ বা ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাড়তি আরও একবছর চাওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া এ বিষয়ে বলেন, তিন বছরে প্রকল্পটি শেষ করা যায়নি, তাই আরও একবছর সময় চাওয়া হয়েছে।

LEAVE A RESPONSE

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

হোয়াটসআপ টুডে-র একজন নিয়মিত লেখক ও প্রযুক্তি পর্যবেক্ষক। আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া এবং নতুন প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি আমার পেশা ও নেশা। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ প্রতিদিনের টেক-নতুনত্ব, আপডেট, নিরাপত্তা টিপস ও ব্যবহারকারীদের সুবিধার দিকগুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরা আমার মূল লক্ষ্য।