কয়েক বছর ধরে ডজন খানেক ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার অবনতিসহ ঋণে নানা ধরনের অনিয়মের তথ্য বেরিয়ে আসতে।
বিশেষ করে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ব্যাংক খাতের এই পরিস্থিতি করুন বেশি দেখা দিয়েছে।
এমন পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ দিতে ১২টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর মধ্যে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন সাতটি ব্যাংক রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, আলোচিত ১২টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং নীতি ও প্রবিধি বিভাগ কার্যক্রম শুরু করেছে।
যা চলতি সপ্তাহে শুরুতেই সব কাজ শেষ হবে। পরবর্তীতে এর সার্বিক চিত্র গভর্নর ড.আসহান এইচ মনসুরের কাছে তুলে ধরা হবে।
গভर्नर এবিষয় যৌক্তিক সিদ্ধান্ত দিবেন। তাই গভর্নরের সিদ্ধান্তের পরে পরবর্তী ধাপে আগাবো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানা যায়, চলতি সপ্তাহের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সেখানে আলোচনা হচ্ছে পুরো পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠন করা হতে পারে।
ব্যাংকটির উন্নয়ন স্বার্থে পুরানো ও নতুনদের মিলিয়ে একটি নতুন পর্ষদ গঠন হতে পারে।
এদিককার এস আলম গ্রুপের হাত থেকে ইসলামী ব্যাংককে রক্ষা করতে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছে ব্যাংকটির শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এছাড়াও বেশকিছু ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বিভিন্ন জটিলতার দেখা দিয়েছে।
সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠন করার সিন্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা যেসব ব্যাংকে পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হতে পারে।
সেগুলো হলো: ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক।
এর বাইরে আরও পাঁচ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভাঙা হতে পারে।
এর মধ্যে আইএফআইসি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল (ইউসিবি) ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকের নাম রয়েছে।




